🌑🔥 অন্ধকারের আলিঙ্গন (Horror Hot Romance – ৩ পেজ স্টোরি)
---
পৃষ্ঠা ১: রহস্যময় আগমন
বর্ষার রাতে ট্রেন থেকে নেমে মায়া পৌঁছালো পুরনো জমিদার বাড়িতে। চারপাশে কুয়াশা, বাতাসে শীতলতা। লোকজন বলে এই বাড়িতে নাকি এক আত্মা বাস করে—যে তার প্রিয় মানুষকে হারিয়ে এখনও অপেক্ষা করে।
মায়া এসব বিশ্বাস করত না। সে গবেষণার কাজে এসেছে।
কিন্তু রাত গভীর হলে হঠাৎ জানালার পাশে ছায়া দেখতে পেল। লম্বা এক পুরুষ অবয়ব। কালো পোশাক, গভীর চোখ।
"তুমি এসেছ অবশেষে…" — ফিসফিস আওয়াজ।
মায়ার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল। ভয়ের সাথে এক অদ্ভুত আকর্ষণও অনুভব করল সে।
---
পৃষ্ঠা ২: নিষিদ্ধ স্পর্শ
পরদিন রাতে আবার সেই ছায়া। এবার সে স্পষ্ট দেখল—রুদ্র। এই বাড়ির প্রাক্তন মালিকের আত্মা।
রুদ্র কাছে এলে বাতাস ঠান্ডা হয়ে যায়, কিন্তু তার কণ্ঠ উষ্ণ।
"তোমার চোখ… ঠিক তার মতো," সে বলল।
মায়া বুঝতে পারল, রুদ্র তার মৃত প্রেমিকার ছায়া খুঁজছে তার মাঝে।
ঝড়ের শব্দে দরজা বন্ধ হয়ে গেল। ঘরে কেবল মোমবাতির আলো। রুদ্র ধীরে মায়ার হাত ছুঁলো। ঠান্ডা স্পর্শ, কিন্তু তাতে এক গভীর আবেগ। মায়ার ভয় ধীরে ধীরে রূপ নিল আকর্ষণে।
"আমাকে মুক্তি দাও…" রুদ্র ফিসফিস করল।
তাদের মাঝের দূরত্ব কমে এল। নিঃশ্বাসের উষ্ণতা, চোখের ভাষা—সবকিছু যেন সময় থামিয়ে দিল।
---
পৃষ্ঠা ৩: মুক্তি নাকি চিরবন্ধন?
মায়া জানতে পারল, রুদ্রকে মুক্তি দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো তার অসমাপ্ত প্রেমকে শেষ করা।
মায়া চোখ বন্ধ করে রুদ্রকে আলিঙ্গন করল। সেই আলিঙ্গনে ছিল ভয়, প্রেম আর অজানা এক উত্তাপ।
হঠাৎ চারপাশে আলো ছড়িয়ে পড়ল। রুদ্রের শরীর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে লাগল।
"তুমি আমাকে ভালোবেসেছ… তাই আমি মুক্ত," তার কণ্ঠ ভেসে এল।
বাড়ির ভারী বাতাস হালকা হয়ে গেল। কিন্তু মায়ার হৃদয়ে রয়ে গেল এক অমলিন স্মৃতি—এক ভূতের প্রেম, যা ছিল ভয়ংকর অথচ অদ্ভুতভাবে উষ্ণ।
শেষ। 🌹🌙
---
চাও তো আমি আরও আরও বেশি রোমাঞ্চকর বা আরও বেশি ভয়ংকর ভার্সন লিখে দিতে পারি 😈
