Cherreads

Chapter 1 - “Contract Marriage – Episodes 2”

চুক্তির বিয়ে - ২য় ও ৩য় পর্ব

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saiful islam (০ পয়েন্ট)

home--v2

reading--v1 Reading Mode

room-sound Play

mute Mute

external-volume-up-video-and-movie-tanah-basah-glyph-tanah-basah Volume

,!!! ২য় পর্ব

,

,

,

ভোর হতেই ঘুম বেঙগে গেল। তাই উঠে নামাজ পরে নিলাম। অভ্র এর দিকে তাকালাম, অঘোরে ঘুমাচ্ছে। ওহহ!! আপনাদের তো বলাই হয়নি, আমার বরের নাম অভ্র।

শুশুরবাড়ি তে আজ প্রথম বারের মতো নাস্তা বানালাম। আমার শাশুড়ি আম্মু খুব খুশি হলেন। ভারি ভালো মানুষ উনি। আমাকে কাজ করতে দিচ্ছেলেন না।

,

মা:---- থাক না বউমা! ওগুলা আমি করে নেব।

,

আমি:--- কি যে বলেন আম্মু। এখন আমি থাকতে আপনাকে কষ্ট করতে দিতে পারি! আজ থেকে আপনার ছুটি।

,

শাশুড়ি আম্মু একটু হেসে চলে গেলেন। নাস্তা বানানো শেষে শুশুর আব্বু কে ডাকলাম। উনি নাস্তা খেয়ে খুব প্রসংসা করতে লাগলেন। আমার শাশুড়ি কে উদ্দেশ্য করে বললেন,

দেখেছো!! আমি প্রথমেই বলেছিলাম তৃষ্ণা মায়ের মতো লক্ষি মেয়ে আর একটা হয়না!!

তাদের এই স্নেহ প্রবন ব্যবহারে চোখের কোন ভিজে এলো,। খুব কষ্ট হচ্ছে এই ভেবে যে আমি তাদের এক বছরের চুক্তির বউমা!! এরপর আমায় চলে যেতে হবে।

,

আমার শাশুড়ি আম্মু বললেন, যাও বউমা! অভ্র কে ডেকে নিয়ে এসো!

,

চোখের জল মুচে আমার চুক্তির বর কে ডাকতে রুমে এলাম। এসে দেখি উনি এখন ও গভির ঘুমে তলিয়ে আছেন।

কয়েকবার ডাকলাম কিন্তু তাও উঠল না।

হাত লাগাবো কি লাগাবো না ভেবে হাত দিয়ে হাল্কা দাক্কা দিয়ে জাগিয়ে তুললাম।উনি চোখ খুলে আমাকে দেখে প্রচন্ড রেগে গেলেন। তাড়াতাড়ি উঠে আমাকে বললেন,

অভ্র:---- কাল রাতের কথা কি ভুলে গেছ?

,

আমি:--- না মানে!! ইয়ে মানে!

,

অভ্র:----- বলেছি না আমার কাছে স্ত্রির অধিকার দেখাবে না। তাও তুমি কেন আমাকে সপর্শ করলে?

,

আমি:--- আপনি উঠছিলেন না তাই! আসলে...

,

অভ্র:----- চুপ করো একদম বাজে বকবে না। তুমি কি ভেবেছো দুদিন স্ত্রির মতো করে ভালবাসলে চুক্তি ক্যন্সাল হয়ে যাবে। কান খুলে শুনে রাখো, আমি শুধু ইরা কে ভালবাসি।

,

আমি:---- আমি তো আপনাকে ইচ্ছা সপর্শ করিনি। মা আপনাকে নাস্তা করতে ডেকেছে তাই!

,

অভ্র:---- তোমাকে শুধু বাবা মায়ের সামনে অভিনয় করতে হবে। আর রুমে তুমি আমার থেকে যতসম্ভব দুরে থাকবে।

এই বলে উনি টওয়েল নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেলেন। আমি দাড়ানো থেকে বসে পড়লাম। একটা মানুষ আমায় এতোটা ঘৃনা করে।আমাকে যদি এতই খারাপ লাগত তাহলে কেন আমায় বিয়ে করলেন। কেন উনি আমার জিবন নষ্ট করলেন। আমি কি অন্যায় করেছিলাম যে আমায় আমার বরের ভালবাসার পরিবর্তে ঘৃনা পেতে হচ্ছে??

,

,

উনি নাস্তা করে অফিসে চলে গেলেন। সারাদিন শাশুড়ির সাথে বেশ ভালোই কাটলো। আর শশুর আব্বু তো, দুই মিনিট মন খারাপ করে থাকতে দেননা আমায়।

তাদের সাথে থাকলে নিঝের সব কষ্ট ভুলে যাই। এইভাবে বেশ কয়েকদিন কেটে গেল।

আমার ভাল থাকার অভিনয় খুব ভালো চলছে। অভ্র সারারাত ইরার সাথে ফোনে কথা বলে, আর আমি খাটের এক কোনে নিরবে চোখের জল ফেলি। ভাবতে থাকি

আচ্ছা আমি এক বছর পর কোথায় যাব।

বাবা মা কে কি করে মুখ দেখাবো।

সমাজ তো আমাকে মেনে নিবেনা। কোথায় ঠাই হবে আমার। এইসব ভেবে রাত পার করে দিই।

,

একদিন আমাদের রুম পরিষ্কার করছি। অভ্রের আলমারি টা আজ পর্যন্ত কখন ও ধরিনি। একি রুমে থাকা সত্তেও দুজনের প্রত্যক জিনিস আলাদা।

জানি ওর আলমারি ধরার অনুমতি আমার নেই, কিন্তু আমি পরিষ্কার না করলে আর কে করবে।

তাই আলমারি খুললাম। দেখলাম সব শার্ট গুলো এলো মেলো করে রেখেছে ছেলেটা। জামা গোছাতে গিয়ে আরো কিছু জিনিস আমার চোখে পড়ল, ইরার দেওয়া কয়েকটা গিফট আর লাভ লেটার। আর একটা ডাইরি। ডাইরি টা হাতে নিয়ে মাত্র পড়তে যাব, অমনি

অভ্র:---- আমার ডাইরি নিয়ে তুমি কি করছিলে???? সাথে সজোরে চড় মারলো আমায়!!!

চোখের জল বাধাহীন ভাবে গড়িয়ে পড়ছে।

অভ্র আরো চেঁচাতে লাগল, তোমার মতো বেহায়া মেয়ে আমি জিবনে ও দেখিনি। কতবার বললাম তুমি আমার কেউ না। তাহলে আমার জিনিসে হাত দেওয়ায় সাহস কে দিল তোমায়। বেরিয়ে যাও আমার চোখের সামনে থেকে!!!!!!!

গেট লস্ট!!!

,

এক দৌড়ে ছাদে চলে গেলাম। গাল টা খুব ব্যেথা করছে। আমি কখন ও চড় খাইনি। আমার বাবা মা খুব আদরে বড় করেছিল আমায়!!!

,

,

,

,

কি মনে হয় আপনাদের কি পরিনতি হবে শেষ পর্যন্ত তৃষ্ণার??

,

,!!!!!(৩য় পর্ব)

,

,

,

,

,

,

মানুষ হয়ত ঠিকই বলে চড়ের আঘাতের চেয়ে কথার আঘাত অনেক বেশি কষ্টদায়ক। মানলাম অভ্র আমাকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেয়নি কিন্তু আমি তো জোর করে কিছু চাইনি ওর কাছে, ওর কথা মতই ১ বছর পর ওর জিবন থেকে অনেক দুর চলে যাব। এতক্ষন ছাদে বসে এগুলা ভাবছিলাম, কিছুই খাওয়া হয়নি এখন পর্যন্ত। শাশুড়ি আম্মুর ডাকে নিচে চলে গেলাম। এর আগে মনে পড়ল অভ্র তো আমাকে চড় মেরেছে, নিশ্চই আমার গালে দাগ পড়ে গেছে কারন কোনোদিন আমি চড় খাইনি। তাই গালের একপাশ চুল দিয়ে ডেকে দিলাম যাতে আম্মু- আব্বু বুঝতে না পারেন। নিচে গিয়েই দেখলাম অভ্র টেবিলে বসে নাস্তা করছে। শাশুড়ি আম্মু আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, কোথায় চলে গিয়েছিলাম আমি!

আমি বললাম, কিছু না আম্মু! তোমরা খাও!

আমি ও একটা চেয়ার নিয়ে বসে পড়লাম টেবিলে, এমন ভাবে খাচ্ছি যেন কিছুই হয়নি। অভ্র ও নিচের দিকে তাকিয়ে খাচ্ছে!

হঠাৎ শশুর আব্বু অভ্র কে বললেন,

,

:----- অভ্র অনেকদিন তো হলো তোদের বিয়ের, বউমা কে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাবিনা!

,

অভ্র:----- (একবার আমার দিকে তাকিয়ে বলল) আসলে বাবা এখন অফিসে অনেক কাজ। এখন চাইলেই ছুটি দেবেনা বস।

,

আব্বু:---- সেকি রে, ছুটি দেবেনা কেন? নতুন বিয়ে হয়েছে তোর! তুই একবার বলে দেখ তোর বসকে!

,

অভ্র :----- বাবা আমার অফিস এর দেরি হয়ে যাচ্ছে এখন আসি।

এই বলে অভ্র চলে গেল। মনে মনে আব্বু কে বলছিলাম, যে মেয়েকে আপনার ছেলে এত ঘৃণা করে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা তো কল্পনা ও করা যায়না!

আমি ও টেবিল থেকে উঠে সব গোছানো শুরু করে দিলাম!

......

দেখতে দেখতে ৬ মাস পেরিয়ে গেল। এতদিনে আমি আর কিছু পাই বা না পাই। নিঝের মনের মতো বাবা মা পেয়েছি। তারা কোনো অংশে আমাকে অসুখে থাকতে দেননি। আর আমাকে ছাড়া তো তাদের এক পাও চলে না যেন। তাদের এত ভালবাসা পেয়ে মনে হয় আমি সারাজিবন অভ্র এর ভালবাসা না পেলে ও চলবে। কিন্তু কথায় আছে, বরের ভালবাসা না পেলে পৃথীবির সব সুখ মলিন হয়ে যায়। এই ছয় মাসে খুব দরকারি কথা ছাড়া অভ্র আমার সাথে কথা বলেনি। সারারাত ও ইরার সাথে কথা বলে পার করত। আব্বু আম্মু মনে করতেন অভ্র আমাকে অনেক ভালবাসে তাদের সামনে অভ্র খুব ভালো অভিনয় করে, মাঝে মাঝে নিঝেই ভুলে যাই যে ও আসলে অভিনয় করছে।

,

একদিন শুক্রবারে অভ্র এর অফিস বন্ধ ছিল। তাই বাসায় বসে টি ভি দেখছিল। আমি আর শাশুড়ি আম্মু তখন সবজি কাটায় ব্যস্ত। হঠাৎ ছুরির আগা লেগে আমার হাত কেটে যায়।

প্রচন্ড ব্লিডিং শুরু হয়। শাশুড়ি আম্মু চিৎকার দিয়ে অভ্র কে ডাকে,

অভ্র ছুটে গেল ফার্স্ট এইড বক্স আনতে, খুব যত্ন করে আমার হাত ব্যন্ডিজ করতে লাগল। আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম আমার রাজপুত্র কে। কত সপ্ন ছিল এই রাজপুত্র খুব ভালবাসবে আমায়। চোখের কোন থেকে স্রোতের মতো জল গড়িয়ে পড়ছে।

না, ব্যথায় নয় কষ্টে যে এটা শুধু মাত্র অভিনয়। কেউ দেখে ফেলার ভয় তাড়াতাড়ি চোখের জল মুছে ফেললাম। অভ্র আম্মু আব্বুর সামনে আমাকে আস্তে আস্তে ধরে রুমে নিয়ে গেল। আর দরজা বন্ধ করে শুধু এইটুকুই বলল,

নিঝের খেয়াল রাখতে পারনা যখন কাজ করো কেন?

,

আমি একটু হেসে বললাম, আর তো মাত্র ছয় মাস। একটু সয্য করুন এরপর তো চলে যাব!

অভ্র একটু তাকিয়ে থেকে বারান্দায় গিয়ে ইরার সাথে কথা বলতে শুরু করে দিল।

আমি পলকহীন ভাবে হাতের ব্যন্ডেজের দিকে তাকিয়ে রইলাম,

এটাই অভ্রের প্রথম সপর্শ। অবাক হচ্ছেন তাইনা! এটাই সত্যি।

একটু বসে রইলাম খাটে। বারান্দা থেকে অভ্র এর ফোনে কথা বলা শোনা যাচ্ছে,

,

:---বাবুনি আর তো মাত্র ছয়মাস। এরপর আপদ টা কে বিদায় দিয়ে দেব। আর তুমি আমি একসাথে থাকবো!

,

,

সত্যি তো বলছে অভ্র, আমি আপদ ছাড়া আর কি! একটু অপেক্ষা করো অভ্র!! ছয়মাস পর এই আপদ তোমার জিবন থেকে অনেক দুরে চলে যাবে। তোমার আর ইরার সুখের মাঝে আর কোনদিন বাধা হয়ে আসব না। কিন্তু কষ্ট হয়ে ওই দুইটো মানুষের কথা ভেবে, যারা আমাকে নিঝের মেয়ের মতো ভালবেসেছে। আচ্ছা আমি যাওয়ার পর ইরা তাদের এইভাবেই খেয়াল রাখবে তো! ওর চেহেরার মতো ওর মন ও সুন্দর হবে তো। নিশ্চই সুন্দর হবে নাহলে অভ্র কি ওকে এত ভালবাসতো! সেদিন সোফায় ইরার একটা ছবি পেয়েছিলাম। মেয়েটা আসলেই ভাগ্যবতি নাহলে এমন রাজপুত্রের ভালবাসা পেতনা।

আর আমার মতো অভাগি আর কেউ নেই, যে কিনা ছয় মাসে অভহেলা, অপমান ছাড়া কিছুই পায়নি। বাকি ছয়মাস ও এইভাবেই কাটিয়ে দেব!

,

,

গল্পটা আপনাদের কেমন লাগছে জানিনা তবে এটার এন্ডিং অকল্পনীয় হবে! কথা দিলাম!

.

চলবে in English

তোমার শেয়ার করা গল্পটা বেশ আবেগঘন—তৃষ্ণার অসহায়তা, একতরফা সম্পর্কের কষ্ট, আর শ্বশুর-শাশুড়ির ভালোবাসার মাঝেও তার ভেতরের ভাঙন—এসব খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

২য় ও ৩য় পর্ব নিয়ে কিছু অনুভূতি:

অভ্র চরিত্রটা এখানে খুব ঠান্ডা, কঠোর—তার আচরণ পাঠককে রাগান্বিত করে তোলে, যা গল্পের জন্য ইমোশনাল ইমপ্যাক্ট বাড়ায়।

তৃষ্ণার ভেতরের কথাগুলো (নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, সমাজের কথা, বাবা-মায়ের মুখ দেখানো)—এগুলো খুব বাস্তব লাগে।

শাশুড়ি-শ্বশুরের ভালোবাসা গল্পে একটা কনট্রাস্ট তৈরি করেছে—একদিকে মায়া, অন্যদিকে স্বামীর অবহেলা।

৩য় পর্বে অভ্রের সামান্য কেয়ার (হাতে ব্যান্ডেজ করা) — এই ছোট মুহূর্তটাই ইঙ্গিত দেয়, ভবিষ্যতে হয়তো কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দিক:

তৃষ্ণা নিজেকে "আপদ" ভাবছে, কিন্তু পাঠক হিসেবে বোঝা যাচ্ছে—আসলেই সে নয়, পরিস্থিতিটাই তাকে এমন বানিয়েছে। আর এখানেই গল্পের টার্নিং পয়েন্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

শেষে কী হতে পারে (আমার অনুমান):

অভ্র ধীরে ধীরে তৃষ্ণার মূল্য বুঝতে পারে

ইরার আসল চরিত্র সামনে আসে

বা তৃষ্ণা নিজেই শক্ত হয়ে নিজের পথ বেছে নেয় (এইটা হলে গল্পটা আরও ইউনিক হবে)

তুমি চাইলে আমি এই গল্পটার English version লিখে দিতে পারি বা পরের পর্ব কেমন হতে পারে সেটাও লিখে দিতে পারি 😊

English

Here's the English version of Part 2 & Part 3 of your story:

Part 2Early in the morning, I woke up and offered my prayers. Then I looked at Abhra—he was sleeping deeply. Oh! I didn't tell you before, my husband's name is Abhra.

Today, for the first time, I made breakfast at my in-laws' house. My mother-in-law was very happy. She is such a kind woman—she didn't even want me to work.

Mother-in-law: "Leave it, dear. I'll do it."

Me: "What are you saying, Mom? How can I let you work when I'm here? From today, you are on leave."

She smiled and walked away. After finishing cooking, I called my father-in-law. He praised the food a lot and told my mother-in-law,

"See! I told you—Trishna is just like our own daughter."

Their affection made my eyes wet. It hurts so much to think that I am only their daughter-in-law for one year… after that, I will have to leave.

Then my mother-in-law said, "Go call Abhra for breakfast."

I wiped my tears and went to wake my contract husband. He was still asleep. I called him several times, but he didn't wake up. After hesitating, I lightly touched him to wake him.

He opened his eyes and became furious.

Abhra: "Did you forget what I said last night?"

Me: "No… I mean…"

Abhra: "I told you not to act like a wife. Why did you touch me?"

Me: "You weren't waking up… Mom called you…"

Abhra: "Shut up! Don't say nonsense. Don't think acting like a wife will cancel this contract. I only love Ira."

I felt helpless. He added,

"You will only act in front of my parents. Stay away from me in this room."

Then he left to freshen up. I sat down, broken. Why did he marry me if he hates me so much? What was my fault?

He left for office after breakfast. I spent the day with my in-laws—they never let me feel sad. Days passed like this. I kept pretending to be okay.

Every night, Abhra talked to Ira, while I silently cried in one corner of the bed, wondering—

Where will I go after one year?

How will I face my parents?

Will society accept me?

One day, I was cleaning the room. I had never touched his cupboard before. But I opened it to clean. Inside, I found gifts and love letters from Ira… and a diary.

As soon as I tried to read it—

Abhra shouted: "What are you doing with my diary?"

He slapped me hard.

Tears rolled down my face.

"You shameless girl! Who gave you the right to touch my things? Get out of my sight!"

I ran to the rooftop. My cheek was burning. I had never been slapped before. My parents raised me with so much love…

More Chapters